স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : ঝেঁপে ঘণ্টা খানেকের বেশি সময় ধরে বৃষ্টি হল কলকাতায়। কিন্তু সকালে লাভের লাভ কিছু হল না। পারদ সেই স্বাভাবিকের উপরে। এবং প্রায় ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস মঙ্গলবার কলকাতার তাপমাত্রা। বর্ষা কাছেই কিন্তু এখনও জ্যৈষ্ঠ হাজির। মাঝে পরে কাহিল অবস্থা রাজ্যবাসীর। যদিও এই গ্রীষ্মে একবারও শহরের পারদ অতিরিক্ত কিছু বাড়েনি জ্যৈষ্ঠের শেষে মূলত অতিরিক্ত আর্দ্রতা নাকাল করছে শহরবাসীকে।
মঙ্গলবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৪ শতাংশ , সর্বনিম্ন ৫৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ২৪.৪ মিলিমিটার। আজ তাপমাত্রা থাকবে সর্বোচ্চ ৩৬ থেকে সর্বনিম্ন ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। অল্প বিস্তর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবার মেঘ কতটা এলাকাভিত্তিক ভাবে শক্তিশালী হয় বৃষ্টির জন্য তার উপর নির্ভর করবে বৃষ্টির পরিমান। যেমন কলকাতা সংলগ্ন হাওড়ার শালকিয়ায় বৃষ্টি হয়েছে কিন্তু বেলগাছিয়া থেকে কদমতলা চত্বরে কয়েক পশলা বৃষ্টি বেশি কিছু হয়নি। দমদমে ৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, সল্টলেকে বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ১৯.২ মিলিমিটার।
কলকাতায় গত সপ্তাহে রবিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি ছিল। শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি ছিল। উভয় ক্ষেত্রেই বৃদ্ধি পেয়েছিল পারদ। আর্দ্রতার পরিমান যথারীতি চরমে ছিল। সর্বোচ্চ ৮৬ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৪৪ শতাংশ। বৃষ্টি মেলেনি। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি ছিল। শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম ছিল। শনিবার সকালে পারদ চড়ে ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার দমদমের তাপমাত্রা ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সল্টলেকের তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
The post বৃষ্টিতেও লাভের ঘড়া ফাঁকা, সকাল থেকেই নাকাল করছে আর্দ্রতা appeared first on Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading online Newspaper.
from Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading online Newspaper https://ift.tt/3h8shRW